SEO এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল [পর্ব-০২]

SEO এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল [পর্ব-০২]

কেন করবেন KEYWORD RESEARCH?

১. কারণ মানুষ kewword ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে
২. SE চায় সবসময় best result দেখাতে
৩. আপনার জানা উচিৎ কোন ধরনের keyword বেশি খোজা হচ্ছে
৪. সবথেকে প্রধান কারণ হল, keyword research tools আপনাকে সাহায্য করে এটা জানার জন্য যে, ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না

keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools আছে। তার মধ্যে wordtracker, keyword discovery,
google Adwords etc অন্যতম।
অধিকাংশ মানুষ google adwords ব্যবহার করে – এটা অনেক দ্রুত ও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।
Keyword Research এর নিয়ম:

১. BRAINSTORMING (কোন বিষয়ে চিন্তা করা) ।

আমার Target Market কে এবং ঐ বিষয়ের উপর কোন keyword নিয়ে চিন্তা করা এবং লক্ষ করা যে, আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের ভিতরে, নাকি সারা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার target market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে এটা কিভাবে আমার desired keyword এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন: আপনার যদি একটি Furniture এর দোকান থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে তাহলে আপনার keyword হতে পারে “Khulna Furniture” আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করতে হবে।

সঠিক keyword selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer, sales people, friendand relatives দের জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা নাও মিলতে পারে।

SEO এর A to Y পর্যন্ত টিউটোরিয়াল

আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন। আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।

২. KEYWORD গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা


আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন, ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন যেভাবে সুবিধা হয়।

৩. RESEARCH করা


search-engine-optimization

KEYWORD RESEARCH করার জন্য আপনি KEYWORD RESEARCH TOOLS ব্যবহার করতে পারেন।

যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase পছন্দ করুন ।
অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ করান

৪. COMPILE বা সংকলন করা


keyword research tools থেকে Export spreadsheet করুন।
যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-categorize করতে পারেন


৫. REMOVE বা অপসারণ করা



search-engine-optimization
spreadsheet খোলা থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ দিতে পারেন।
যেসব keyword এর search count low সেগুলো বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন। দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।

৬. DETERMINE COMPETITIVENESS

এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা Phrase এর একটি আলাদা আলাদা competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।
search-engine-optimization

Competitiveness অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ভাগে ভাগ করা যায়:

HIGHLY COMPETITIVE
FAIRLY COMPETITIVE
NON-COMPETITIVE


৭. সঠিক KEYWORD SELECT করুন

search-engine-optimization

এই ধাপগুলো শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে পারবেন। keyword select করার সময় নিচের বিষয়গুলোর
উপর লক্ষ্য রাখুন:
  • NUMBER OF SEARCHES

    RELEVANCY TO YOUR WEB SITE (ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
    COMPETITIVENESS LEVEL

আগামী পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ রইলো। এই টিউনটি পূর্বে এখানে প্রকাশিত।
আজ এ পর্যন্তই। ধন্যবাদ সবাইকে